১৯৭১ সালের নভেম্বরের মাঝামাঝি কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুরে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সঙ্গে মুক্তিবাহিনীর যুদ্ধ হয়। এই যুদ্ধে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। এরপর পাকিস্তানি সেনারা আশপাশের প্রায় ...
রংপুর-সৈয়দপুর-দিনাজপুর সড়কের দশমাইল এলাকা। ১৯৭১ সাল। এপ্রিলের মাঝামাঝি। এখানে অবস্থান নিয়েছেন একদল প্রতিরোধযোদ্ধা। তাঁদের এই দলে আছেন ইপিআর, ছাত্র ও যুবক। ইপিআর সদস্য আবদুল হালিমও আছেন এই দলে। তিনি ...
রাত সাড়ে তিনটা। একসঙ্গে গর্জে উঠল অস্ত্র। গোলাগুলির শব্দে গোটা এলাকা প্রকম্পিত। চারদিকে বারুদের উত্কট গন্ধ। ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিতে দিতে মুক্তিযোদ্ধারা এগিয়ে যাচ্ছেন শত্রুর বাংকার লক্ষ্য করে। তাঁদের ...
অন্ধকারে পাকিস্তানি সেনাদের অবস্থান লক্ষ্য করে আবদুস সোবহান ও তাঁর কয়েকজন সহযোদ্ধা নিক্ষেপ করলেন বেশ কটি হ্যান্ড গ্রেনেড। অন্য সহযোদ্ধারা বর্ষণ করে চললেন একযোগে গুলি। হ্যান্ড গ্রেনেডের বিস্ফোরণ ও ...
আবুল কালাম ১৯৭১ সালে কর্মরত ছিলেন দিনাজপুর ইপিআর সেক্টর হেডকোয়ার্টারে। কুঠিবাড়িতে ছিল তাঁদের হেডকোয়ার্টার। ২৬ মার্চ খুব ভোরে তাঁরা ঢাকার খবর পেয়ে যান। সে সময় সেক্টর হেডকোয়ার্টারে বাঙালি কোনো ...
আবুল কালাম কর্মরত ছিলেন পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর তৃতীয় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে। এর অবস্থান ছিল সৈয়দপুর সেনানিবাসে। ১৯৭১ সালের মার্চে সম্ভাব্য ভারতীয় আগ্রাসনের কথা বলে তাঁদের কোম্পানিকে সেনানিবাসের বাইরে ...
রাতের অন্ধকারে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর ছোট এক ক্যাম্পে অতর্কিতে আক্রমণ চালালেন আবুল হাসেমসহ একদল মুক্তিযোদ্ধা। প্রচণ্ড আক্রমণে একসময় পাকিস্তানি সেনারা অনেক গোলাবারুদ ও বেশ কিছু অস্ত্র ফেলে রাতের ...
১৯৭১ সালের জুলাই মাসের মাঝামাঝি। মুক্তিবাহিনীর ১১ নম্বর সেক্টরের হেডকোয়ার্টারে তুমুল উত্তেজনা। সিদ্ধান্ত হয়েছে, পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর কামালপুর ঘাঁটিতে আক্রমণের। কিন্তু ঘাঁটির শক্তি সম্পর্কে ...
আবদুল মালেক চাকরি করতেন ইপিআরে। ১৯৭১ সালে কর্মরত ছিলেন যশোর ইপিআর সেক্টরে। তখন তাঁর পদবি ছিল নায়েব সুবেদার। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি যুদ্ধে যোগ দেন। যশোরে প্রতিরোধযুদ্ধ শেষে ভারতে আশ্রয় নেন।